কোম্পানিটি স্পষ্টভাবে জানায়, এসব বার্তা সম্পূর্ণ ভুয়া এবং কোনোভাবেই ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
এক বার্তায় প্রতারকরা লিখেছে, “কাগজপত্র জমা এবং যাচাইয়ের পর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ফি নির্ধারণ করা হবে। এরপরই কেবল নৌযান প্রণালি পার হতে পারবে।” তবে মারিস্ক এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে নৌযান মালিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে কয়েকশ নৌযান ও হাজারের বেশি নাবিক উপসাগরীয় এলাকায় আটকা পড়েছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করছে। তারা নিরাপত্তার ভুয়া আশ্বাস দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
মারিস্ক নৌপরিচালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের অজ্ঞাত বার্তা বা অর্থের প্রস্তাবকে গুরুত্ব না দিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
এ বিষয়ে এখনো ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।








