Search
Close this search box.

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর করুণ পরিণতি: লিমন নিহত, বৃষ্টির সন্ধান মেলেনি

অহনা

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর পরিণতি নিয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও অপর শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশের আশঙ্কা, নাহিদাও আর বেঁচে নেই।

এই নৃশংস ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘারবিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) ভোরে সেন্ট পিটার্সবার্গের হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ওপর থেকে ২৭ বছর বয়সি জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পিনেলাস কাউন্টি পুলিশ।

 লিমনের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর টেম্পার লেক ফরেস্ট এলাকায় হিশামের বাড়ি ঘেরাও করে পুলিশ। সেখানে সোয়াত (SWAT) টিমের উপস্থিতিতে দীর্ঘ ২০ মিনিটের টানটান উত্তেজনার পর হিশাম আত্মসমর্পণ করে।

 হিশামের বিরুদ্ধে বর্তমানে পারিবারিক সহিংসতা, প্রমাণ লোপাট এবং মৃতদেহ বেআইনিভাবে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির নিখোঁজ হওয়া নিয়ে যে তথ্য সামনে আসছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ।

নাহিদার ভাই জাহিদ হাসান জানান, জামীল ও হিশামের অ্যাপার্টমেন্টে ‘বিপুল পরিমাণ রক্ত’ পাওয়া গেছে।তদন্তকারীদের ধারণা, নাহিদাকে হত্যা করার পর তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে। নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল।

সাবেক এফবিআই এজেন্ট ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. ব্রায়ানা ফক্স ঘটনাটি বিশ্লেষণ করে জানান:

অপরাধের আলামত যেভাবে টাম্পা বে এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে, তাতে বোঝা যায় এটি সুপরিকল্পিত ছিল না; বরং তাড়াহুড়ো করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে।

 সাধারণত এ ধরনের নৃশংসতার পেছনে আর্থিক লেনদেন, ঈর্ষা বা তাৎক্ষণিক কোনো প্রচণ্ড ঝগড়া কাজ করে থাকে। হিশামের পূর্ব ইতিহাস বলছে, তাঁর মধ্যে সহিংসতা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ