স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই পরিসংখ্যান ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৫ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের। কেবল গত ২৪ ঘণ্টাতেই হাম সন্দেহে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ জন শিশু, যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় দেশের অন্যান্য বিভাগের তুলনায় ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বিভাগে মোট ১২৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৭১০ শিশু। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জনসংখ্যার ঘনত্ব, টিকাদানের ঘাটতি এবং সচেতনতার অভাব এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী হতে পারে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তারা জোর দিচ্ছেন টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত ও আইসোলেশন নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে শিশুস্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।







