ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্বে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়। ‘সাপোর্টিং দ্য ট্রানজিশন টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল বায়োইকোনমি ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক রেজুলেশনটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে টেকসই অর্থনৈতিক রূপান্তরের একটি নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই অর্জন আঞ্চলিক উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্বকে আরও দৃঢ় করেছে। রেজুলেশনটি বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার—টেকসই, উদ্ভাবননির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সার্কুলার অর্থনীতি, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক রূপান্তরের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রেজুলেশনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং টেকসই বায়োইকোনমি ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে বায়োইকোনমি একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী ধারণা।
অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বায়োইকোনমি শুধু একটি নতুন অর্থনৈতিক ধারণা নয়; এটি জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।
বাংলাদেশের এই উদ্যোগে সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, চীন, মঙ্গোলিয়া, আর্মেনিয়া ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সমর্থন দিয়েছে। যা এ অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক ঐকমত্যের প্রতিফলন।
এছাড়া অধিবেশনে ‘সব বয়সের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সামাজিক উন্নয়ন জোরদার’ বিষয়ে বাকু-ব্যাংকক ঘোষণাও গৃহীত হয়েছে, যা সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।








