তবে প্রথম দিনের পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জয়কুল এলাকায় একটি কেন্দ্রে অসৎ উপায় অবলম্বনের অভিযোগে একজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এম. মতিউর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ওই পরীক্ষার্থীকে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক শিক্ষক বহিষ্কার করেন।
শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন এবং অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিশেষ প্রযুক্তিগত নজরদারিও রাখা হয়েছে।
এ বছর কাউখালী উপজেলায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ৯৭৯ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫০৭ জন এবং ছাত্রী ৪৭২ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় কোরআন ও তাজবীদ বিষয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৯২ জন, যার মধ্যে ১৩ জন অনুপস্থিত। কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষায় ১৬০ জনের মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিল। অন্যদিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিভিন্ন কেন্দ্রে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক। কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি থাকায় পরিবেশ আরও নিয়ন্ত্রিত রাখা সম্ভব হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতেও পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।
স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান, বিগত সময়ের তুলনায় এবার পরীক্ষা পরিবেশ অনেক বেশি সুশৃঙ্খল এবং নকলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।








