রাজিনের পড়ালেখার আগ্রহ এবং পরীক্ষার আবেদন বিবেচনা করে নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি প্রদান করেন।
আদালতের নির্দেশে তাকে গাজীপুর থেকে নোয়াখালী কারাগারে আনা হয় এবং সেখানেই বিশেষ নিরাপত্তা ও ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
রাজিনের নির্ধারিত কেন্দ্র ছিল নোয়াখালী জিলা স্কুল। তবে নিরাপত্তা ও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাকে কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কারাগারের ভেতরেই তার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, যা প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জিলা স্কুল কেন্দ্রের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।নোয়াখালী কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক জানান, শুধুমাত্র পরীক্ষা দেওয়ার জন্যই রাজনকে এই কারাগারে আনা হয়েছে এবং বাকি পরীক্ষাগুলোও একই প্রক্রিয়ায় নেওয়া হবে।
রাজিনের মতো বিশেষ পরীক্ষার্থী ছাড়াও নোয়াখালী জেলায় এবার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে:
-
মোট পরীক্ষার্থী: ৩৫ হাজার ৫০১ জন।
-
পরীক্ষা কেন্দ্র: ৭৫টি (এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল মিলিয়ে)।
-
বিভাগভিত্তিক তথ্য: জেনারেল স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় ২৫ হাজার ১০৭ জন, দাখিলে ৮ হাজার ৬৭১ জন এবং ভোকেশনালে ১ হাজার ৭২৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।








