দলীয় সূত্রে জানা যায়, বহিষ্কৃতদের একটি অংশ ইতোমধ্যে দলে ফেরার জন্য যোগাযোগ শুরু করেছেন। তারা অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুশোচনা প্রকাশ করে পুনরায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
তবে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলছেন, বিষয়টি এখনো স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে এবং একক কোনো সিদ্ধান্তে আসা হয়নি। তাদের মতে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এখন প্রধান অগ্রাধিকার।
অন্যদিকে দলের আরেক অংশ মনে করে, রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখানো প্রয়োজন হতে পারে। বড় রাজনৈতিক দলে বিদ্রোহী ঘটনা নতুন নয়, তাই পুনর্মিলনের পথ একেবারে বন্ধ করা উচিত নয় বলেও মত রয়েছে।
এদিকে বহিষ্কৃতদের মধ্যে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন, আবার অনেকে পরাজিত হয়েছেন। নির্বাচনের পর তারা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্মূল্যায়ন করছেন।
বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, বিদ্রোহীদের ফেরানো বা না ফেরানো বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামে আলোচনার পর নির্ধারণ করা হবে।
সব মিলিয়ে বিদ্রোহী নেতাদের ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য আনার চ্যালেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব।








