নলছিটির ব্যবসায়ী জাহিদের কাছ থেকে ভুয়া চেকের বিনিময়ে ৩০ লাখ টাকা ধার নিয়ে তা পরিশোধ করেননি। এই ঘটনায় বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হলে ২০২৪ সালে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজাদ রহমানের মতে, কেবল জাহিদ নন, ওই এলাকার শিবেশ্বর রায়, কায়কোবাদ ও মাইনুল ইসলামসহ আরও বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে চেক জালিয়াতি করেছেন এই কর্মকর্তা।
বিজনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগটি হলো সরকারি প্রকল্প থেকে অর্থ লোপাট:
২০২১-২০২২ অর্থবছরে নলছিটিতে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে ১২৮টি ঘরের বরাদ্দ পেলেও তিনি ৫৫টি ঘর না বানিয়ে পুরো টাকা আত্মসাৎ করেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে ২০২৩ সালে তিনি আত্মসাৎকৃত ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা সরকারি অ্যাকাউন্টে ফেরত দিতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে তাঁকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
২০২৫ সালের নভেম্বরে মনপুরা উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই তিনি নানা বিতর্কে ছিলেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে তাঁর তিনটি মোবাইল নম্বরই বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
মনপুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবু মুছা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “বিজন গত দুই সপ্তাহ ধরে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। বিষয়টি জেলা অফিসকে জানানো হয়েছে। তাঁর কারণে অনেক দাপ্তরিক কাজ আটকে আছে।”
ইউএনও আরও জানান, বিজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারির খবর তিনি শুনেছেন এবং গ্রেফতার হলে বিধি মোতাবেক তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে।






