এই দোকানে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বিপুল পরিমাণ ভোজ্য তেল সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। ময়লা-আবর্জনার মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৬০০ লিটার তেল মজুত রাখায় তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এই প্রতিষ্ঠানে ৮ হাজার ১৬০ লিটার সয়াবিন ও পাম অয়েল মজুত রাখাসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক অনিয়মের সত্যতা মেলে। এর প্রেক্ষিতে মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিএমএ মুনিব। তিনি জানান:
বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়ানো এবং ভোক্তাদের ঠকানো বন্ধ করাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান আগামীতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ নিয়ে অস্থিরতার মাঝে প্রশাসনের এই ঝটিকা অভিযানে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। সাধারণ মানুষের মতে, এ ধরনের তৎপরতা অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে এবং বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





