জাতীয় নির্বাচনের আগেই তিনি এনসিপি থেকে নিষ্ক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রকাশিত কমিটির সঙ্গে তাঁর কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই এবং তিনি ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র প্রেরণ করেছেন।
পদত্যাগপত্রে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি দলের বর্তমান গতিপ্রকৃতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন:
যে লক্ষ্য, আদর্শ ও নীতি নিয়ে তিনি দলটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন, বর্তমানে দলের কার্যক্রমে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।সাধারণ মানুষের আশা ভঙ্গ হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা তাঁর পক্ষে আর সম্ভব নয় বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের এনসিপিতে যোগদানের আলোচনার মধ্যেই প্রীতির এই পদত্যাগ দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা আদর্শিক মতভেদকে সামনে নিয়ে এল। বিশেষ করে ‘জাতীয় নারীশক্তি’র যুগ্ম সদস্য সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নাম আসার পরও তাঁর এই সরে দাঁড়ানো নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে কিছুটা হলেও অস্বস্তি তৈরি করেছে।







