প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বলছে—এই দেশগুলোর কিছু অভিবাসীর ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা গ্রহণের হার তুলনামূলক বেশি। তাই অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, অভিবাসীদের অবশ্যই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে এবং তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি না করে, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নতুন নীতিতে স্ক্রিনিং ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করা হচ্ছে, যাতে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা অভিবাসীরা কোনো ধরনের অনিয়ম বা রাষ্ট্রীয় সুবিধার অপব্যবহার করতে না পারে।
তালিকাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারতীয় উপমহাদেশ ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশ, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে পারিবারিক ও স্থায়ী অভিবাসনের ক্ষেত্রে।







