জ্যাকি ভাগনানির মতে, তাঁরা বিবাহিত হলেও তাঁদের মানসিক সংযোগটি অনেকটা আধুনিক প্রজন্মের ‘সিচুয়েশনশিপ’-এর মতো স্বচ্ছন্দ। তিনি ব্যাখ্যা করেন:
জ্যাকি বলেন, “আমরা বিবাহিত ঠিকই, কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো বাড়তি প্রত্যাশার চাপ বা বিধিনিষেধ নেই।” তাঁরা একে অপরের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ সম্মান দেন।
সম্পর্কের সততা বোঝাতে তিনি একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সাবেক কোনো প্রেমিকা ফোন করলে তিনি অনায়াসেই তা স্পিকারে দিয়ে রাকুলের সামনে কথা বলতে পারেন। তাঁর মতে, লুকানোর কিছু নেই বলেই তিনি কোনো ‘দমবন্ধ’ করা সম্পর্কের চাপ অনুভব করেন না।
রাকুল প্রীত সিং তাঁর বক্তব্যে দাম্পত্য জীবনে নারী-পুরুষের সমানাধিকার ও ব্যক্তিগত ইচ্ছার গুরুত্ব তুলে ধরেন:
রাকুল বলেন, “অনেকে বিয়ের পর নিজের ইচ্ছা বিসর্জন দেন, কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও তেমন নয়।” জ্যাকি কোনো কারণে ছুটিতে যেতে না পারলে রাকুল একাই ঘুরতে যেতে দ্বিধাবোধ করেন না।
তাঁরা একে অপরের সাহচর্য উপভোগ করেন, কিন্তু একে অপরকে কখনোই ‘আটকে’ রাখেন না। তাঁদের মতে, একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বৈবাহিক সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের মতো জটিলতাহীন থাকা সম্ভব।
সামাজিক মাধ্যমে জ্যাকি ও রাকুলের এই মন্তব্য নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই তাঁদের এই আধুনিক ও উদার মানসিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যে, বিয়ের মতো একটি আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘সিচুয়েশনশিপ’ শব্দটি ব্যবহার করা কতটা যুক্তিযুক্ত।








