কাল্কি বলেন, “ডিভোর্সের পরের প্রথম কয়েক বছর আমার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। অন্য কারও সঙ্গে অনুরাগকে দেখলে আমার কষ্ট হতো। তাই আমরা উপলব্ধি করি যে, আমাদের একে অপরের থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন।”
বিচ্ছেদের যন্ত্রণা কাটিয়ে উঠতে যে সময়ের প্রয়োজন হয়, সেটি নিয়ে তিনি বলেন, “শোক কাটানোর জন্য অনেকটা সময়ের প্রয়োজন। শুধু মনোবিদের কাছে গেলেই সব সমাধান হয়ে যায় না; নিজেকেই সেই কষ্ট অনুভব করতে হয়।”
মানসিক স্বাস্থ্য এবং সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে কাল্কি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন:
তিনি থেরাপির পক্ষে থাকলেও মনে করেন, তীব্র শোকের সময় থেরাপি নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও তিনি সবাইকে পেশাদার সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ দেন।
দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাল্কির পরামর্শ হলো, “যদি কোনো সম্পর্ক এক বছরের হয়, তবে বিচ্ছেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অন্তত আরও ছয় মাস আলাদা থেকে দেখা উচিত। এতে মানসিক যন্ত্রণা কিছুটা হলেও কমে।”








