রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফাঁস হওয়া ওই ইমেইলে মার্কিন কর্মকর্তারা ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে স্পেনকে ন্যাটো থেকে স্থগিত করার মতো কঠোর পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলেন।
ইরান অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি মাদ্রিদ। এতে ওয়াশিংটন ক্ষুব্ধ হয়ে স্পেনের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা ভাবে।
পেন্টাগনের কথিত এই পদক্ষেপের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সানচেজ অত্যন্ত শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে জানান:
আমরা কোনো ফাঁস হওয়া ইমেইলের ওপর ভিত্তি করে কাজ করি না; আমরা কাজ করি সরকারি নথিপত্র এবং অবস্থানের ভিত্তিতে।”সানচেজ জোর দিয়ে বলেন, স্পেন ন্যাটোর একটি অনুগত অংশীদার। তবে ইরান সংকটে সরাসরি সামরিক অভিযানে শরিক না হওয়াকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পেনের ওপর দুটি কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন: ১. প্রতিরক্ষা বাজেট: স্পেনের প্রতিরক্ষা বাজেট মোট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত না করা। ২. সহযোগিতা: ইরান অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে সরাসরি সহায়তা না দেওয়া।
তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটোর কোনো সদস্য রাষ্ট্রকে তার সম্মতি ছাড়া বহিষ্কার বা স্থগিত করার আইনি সুযোগ নেই। কারণ ন্যাটোর প্রতিটি বড় সিদ্ধান্ত সব সদস্যের সর্বসম্মত সম্মতির ভিত্তিতে নিতে হয়। ফলে পেন্টাগনের এই ইমেইলটিকে মূলত মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।








