হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে বলেন:
দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা শুধু সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও সম্পৃক্ত করে। এটি কেবল একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়, বরং একটি জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা। ভারতের উন্নত চিকিৎসা দক্ষতা এবং স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতাকে বাংলাদেশের মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসা সম্ভব।
এই খাতকে আরও সুসংগঠিত করতে তিনি দুই দেশের বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নতুন এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি রোগীরা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুবিধা পাবেন:
উন্নত চিকিৎসার পাশাপাশি ভিসা সংক্রান্ত বিশেষ সহায়তা। থাকার সুব্যবস্থা এবং বিমান ভাড়ায় বিশেষ ছাড়ের সুবিধা।দুই দেশের চিকিৎসকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের নতুন পথ উন্মোচন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা সীমিত রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতায় আশার আলো দেখা যাচ্ছে:
সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের সময় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসা ও ব্যবসায়ী ভিসা সহজ করার আশ্বাস দিয়েছেন।
কূটনৈতিক সূত্র মতে, খুব দ্রুত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভারতের মেডিকেল ভিসা চালুর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।






