দীর্ঘদিনের বিএনপি রাজনীতির সাথে যুক্ত ইসহাক সরকারের এনসিপিতে আসা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তিনি ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ৩০০টিরও বেশি মামলা হয়েছিল, যদিও পরবর্তীতে তিনি অধিকাংশ মামলা থেকে খালাস পান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এবার তিনি এনসিপিতে নাম লেখালেন।
সামাজিক আন্দোলন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পরিচিত দুই মুখকেও দলে ভিড়িয়েছে এনসিপি:
রেল খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে একক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশজুড়ে পরিচিতি পান রনি। তাঁর প্রতিবাদী ভাবমূর্তি তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয় এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
দলটিতে যোগ দিয়েছেন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল ফ্লোরা। তাঁর অন্তর্ভুক্তি এনসিপির রাজনৈতিক উত্তরাধিকারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দলের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, সাবেক রাজনৈতিক কর্মী, সামাজিক আন্দোলনকর্মী এবং জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বদের এই সমন্বয় এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও বিস্তৃত করবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের মাঝে দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে এই নতুন মুখগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে।







