-
কাঁকরোল: ১৬০-১৭০ টাকা (প্রতি কেজি)।
-
বেগুন: ১২০-১৫০ টাকা (প্রতি কেজি)।
-
শসা: ১১০-১২০ টাকা (প্রতি কেজি)।
-
করলা ও বরবটি: ১০০-১১০ টাকা (প্রতি কেজি)।
-
অন্যান্য: চিচিঙ্গা ৯০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা ৪০ টাকা (হালি)।
-
খিলক্ষেতের খুচরা বিক্রেতাদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দূরপাল্লার ট্রাক ভাড়া ট্রিপ প্রতি ৪ থেকে ৬ হাজার টাকা বেড়ে গেছে। এছাড়া তীব্র গরমে সবজি দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় পচনশীল পণ্যের ঝুঁকিও দাম বাড়ার অন্যতম কারণ।
আমিষের বাজারে মুরগির দামে কিছুটা ওঠানামা থাকলেও গরু ও খাসির মাংস উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে:
-
মুরগি: সোনালি মুরগি ৩৫০-৩৬০ টাকা, ব্রয়লার ১৭০-১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭২০ টাকা কেজি।
-
মাংস: গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,১৫০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ২২০ টাকার নিচে কোনো মাছ মিলছে না:
-
রুই মাছ: আকারভেদে ৩৪০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি।
-
পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়া: ২৩০ টাকা থেকে শুরু।
-
অন্যান্য: পাবদা, শোল ও টেংরা মাছের দামও কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কমলেও দেশের বাজারে তার সুফল না মেলার পেছনে কয়েকটি কারণ দায়ী:
-
ডলারের উচ্চমূল্য: ডলার সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি।
-
বাজার ব্যবস্থাপনা: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং সরবরাহে কৃত্রিম ঘাটতি।
-
পরিবহণ ব্যয়: জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি খুচরা পর্যায়ে প্রভাব ফেলছে।








