খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও পটুয়াখালী জেলার ওপর দিয়ে এই দাবদাহ অব্যাহত রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল যশোরে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি কিছুটা বজায় থাকতে পারে, তবে ২৭ এপ্রিল থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে।
আগামী রোববার থেকে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে:
২৬ এপ্রিল থেকে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
২৭ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং বিদ্যুৎ চমকানোর সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী এবং অতিভারী বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর সারা দেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের ভ্যাপসা গরম ও দাবদাহ থেকে সাধারণ মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে। বিশেষ করে কৃষি খাতের জন্য এই বৃষ্টি আশীর্বাদ হয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








