অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিপর্যয়কে ‘জাতীয় সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি এক নজিরবিহীন পদক্ষেপের ঘোষণা দেন:
সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।সংকটের সমাধান কেবল সরকারি দলের একার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি নজিরবিহীন জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে শহর ও গ্রামের বিদ্যুৎ বণ্টনে সমতা আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই লক্ষ্যে একটি পরীক্ষামূলক বৈপ্লবিক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে:
রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শহর থেকে সাশ্রয়কৃত এই বিদ্যুৎ সরাসরি গ্রামীণ কৃষকদের সেচ কাজে ব্যবহার করা হবে, যাতে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।
বিগত ১৬ বছরের শিক্ষা খাতের অনিয়ম দূর করতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন:
দেড় দশকের দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা তদন্তে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশের অঙ্গীকার করেছেন তিনি।ইতোমধ্যে জাল সনদধারী ২০২ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী সংসদকে অবহিত করেন।
অধিবেশনে আঞ্চলিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে:
চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী ‘কেরু অ্যান্ড কোম্পানি’র আধুনিকায়ন এবং উত্তরবঙ্গের সাথে সরাসরি রেল সংযোগের দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদীয় শিষ্টাচার রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন। সদস্যদের আচরণবিধি মেনে চলতে এবং গঠনমূলক তর্কে অংশ নিতে কড়া নির্দেশ দেন তিনি।








