রোববার (২৬ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, সম্প্রতি কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে প্রতারণায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ভুয়া প্রশ্ন ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল।
উপদেষ্টা জানান, প্রতারক চক্র প্রথমে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে, এরপর সময়ক্ষেপণ করে গ্রুপ বন্ধ করে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা পরীক্ষা শুরুর পর পুরোনো বা ভুয়া প্রশ্নকে আসল প্রশ্ন হিসেবে প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
তিনি আরও বলেন, এসব চক্র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অযথা ভয়, উদ্বেগ এবং নৈতিক বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে তারা দ্রুত গুজব ছড়িয়ে দেয় এবং পরে সেটিকে সত্য বলে উপস্থাপন করার কৌশল নেয়।
মাহদী আমিন সতর্ক করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের অপতৎপরতা দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও এসব গুজব থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, একটি স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে, যেখানে কোনো ধরনের প্রতারণা বা বিভ্রান্তির সুযোগ থাকবে না।








