আলেক্সি লিখাচেভ প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে।রাশিয়া আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর উভয় পক্ষ বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় রাশিয়ার প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি মনে করেন, রূপপুর প্রকল্প দেশের টেকসই জ্বালানি কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক।পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড বজায় রাখা এবং স্থানীয় কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন:
পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা।বাংলাদেশে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিনসহ রোসাটমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।








