এর আগে এআই-নির্মিত অশ্লীল ছবি এবং রাজনৈতিক প্রচারণায় সুইফটের নকল ছবি ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছে।এই ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতেই তিনি নিজেকে ‘ট্রেডমার্ক’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি কার্যকর হলে এআই দিয়ে তৈরি যেকোনো নকল কন্টেন্টের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে মামলা করা অনেক সহজ হবে।
সাধারণত ব্যক্তিগত পরিচয় সরাসরি ট্রেডমার্কের আওতায় পড়ে না। তবে সুইফটের আইনজীবীদের যুক্তি:
কোনো প্রোডাকশন হাউজ যেভাবে তাদের সিনেমার চরিত্রের কপিরাইট রক্ষা করে, সুইফটও একইভাবে তাঁর কণ্ঠ বা ছবির অপব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন।
এর আগে হলিউড অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককোনাঘি তাঁর বিখ্যাত সংলাপ ‘অলরাইট, অলরাইট, অলরাইট!’ ট্রেডমার্ক করে এ ধরনের আইনি সুরক্ষার পথ তৈরি করেছিলেন।
নিজে সুরক্ষার জন্য আবেদন করলেও সুইফট বর্তমানে একটি ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে আছেন। ম্যারেন ওয়েড নামে এক শিল্পী অভিযোগ তুলেছেন যে:
সুইফটের ২০২৫ সালের অ্যালবাম ‘দ্য লাইফ অফ এ শোগার্ল’ (The Life of a Showgirl) তাঁর পুরনো একটি ট্রেডমার্ক করা নামকে লঙ্ঘন করেছে।
এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সুইফটের নতুন ট্রেডমার্ক আবেদনগুলো বাড়তি পর্যালোচনার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








