পরে তিনি যশোর শহরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর পৌনে দুইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার কর্মসূচিতে।
দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজে নামাজ ও খাবারের বিরতির পর বিকেলে ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। দিনশেষে সন্ধ্যায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে যশোর ত্যাগ করবেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর অগ্রবর্তী দল ইতোমধ্যে যশোরে পৌঁছে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকি করছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা মনে করছেন, এই সফরের মাধ্যমে যশোরে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়বে এবং অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।








