২০১০ সালে দিল্লিভিত্তিক একটি সংস্থা থেকে তিনি ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু ২০১২ সালের পর থেকে সেই ঋণের ওপর সুদ ও অন্যান্য চার্জ যুক্ত হয়ে তা ১৭ থেকে ২২ কোটি রুপিতে গিয়ে দাঁড়ায়।
রাজপাল জানান, তাঁর প্রযোজিত সিনেমা ‘আতা পাতা লাপাতা’ তৈরিতে প্রায় ২২ কোটি রুপি খরচ হয়েছিল। কিন্তু ছবিটি বক্স অফিসে চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন এবং ঋণের কিস্তি শোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ঋণ শোধ করতে না পারায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠলে রাজপাল আক্ষেপ করে বলেন:
“ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ১০০টির মধ্যে ২০টি ছবি সফল হয়, বাকি ৮০টি ব্যর্থ হয়। একটি ছবি ব্যবসায়িক সাফল্য না পেলেই কি তা প্রতারণা? ২০১২ সালেই আমি ঋণমুক্ত হতে পারতাম, যদি পরিস্থিতি অনুকূলে থাকত।”
রাজপাল যাদবের এই আইনি লড়াই দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে চলছে:
২০১০ সালে নেওয়া ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় দিল্লির সেই সংস্থা আদালতে মামলা করে।
২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। ২০১৯ সালে ‘সেশনস কোর্ট’ সেই রায় বহাল রাখলে তাঁকে জেলে যেতে হয়।
সুদে-আসলে বর্তমানে ওই ঋণের পরিমাণ প্রায় ৯ কোটিতে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।








