যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি বিস্ফোরক পোস্ট দেন। তিনি জানান:
প্রণালিতে মাইন পেতে রাখা কোনো ইরানি নৌযান দেখামাত্র ধ্বংস করতে মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইরান কোনো চুক্তিতে না আসা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ বা ‘সিল’ করা থাকবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। মার্কিন নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ এই পথে চলাচল করতে পারবে না।
নৌপথে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই দেশই একে অপরের জাহাজ আটক করছে:
পেন্টাগন জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইরানি তেল বহনকারী একটি ট্যাঙ্কার তারা এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো জব্দ করেছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যথাযথ অনুমতি না থাকায় তারা পানামার পতাকাবাহী ‘এমএসসি ফ্রান্সেসকা’ এবং গ্রিসের ‘এপামিনোনদাস’ নামক দুটি জাহাজ আটক করেছে। তবে গ্রিস এই দাবি অস্বীকার করেছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড-এর তথ্যমতে:
গত বুধবার মাত্র ৯টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে প্রতিদিন গড়ে ১২৯টি জাহাজ এই পথ দিয়ে চলাচল করত, যা এখন ১০-এর নিচে নেমে এসেছে।





