আজকের কার্যতালিকায় রাষ্ট্রপক্ষের ৫ নম্বর সাক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) একজন কর্মকর্তার জবানবন্দি দেওয়ার কথা রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই কর্মকর্তার নাম বর্তমানে প্রকাশ করা হয়নি।
মূল সাক্ষ্যগ্রহণের আগে ৪ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া বিটিআরসির একজন কর্মকর্তাকে জেরা করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।
এই মামলায় দুই প্রধান আসামির মধ্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে কারাগারে থাকলেও সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন। জয়ের অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আইনি লড়াই করছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজুর আলম। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে তিনটি প্রধান অভিযোগ আনা হয়েছে:
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে জয়ের নির্দেশে পলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করেন, যার ফলে পরের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়।
আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মারণাস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছিলেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইন্টারনেট বন্ধ থাকাকালীন উত্তরার ঘটনায় ৩৪ জন এবং অন্যান্য স্থানে ২৮ জনসহ অসংখ্য মানুষের শাহাদাতবরণের ঘটনায় তাঁদের সরাসরি সহায়তা ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিগত বছরের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাধিক মামলা চলমান। এই নির্দিষ্ট মামলায় গত ২১ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। ইন্টারনেট বন্ধ করে তথ্য আদান-প্রদান বাধাগ্রস্ত করা এবং তার মাধ্যমে নৃশংসতা চালানোর এই অভিযোগটি আইনি ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।








