-
সুনামগঞ্জ (৫ জন): সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জে। জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় পাঁচ কৃষকের মৃত্যু হয়।
-
রংপুর (২ জন): মিঠাপুকুর উপজেলার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে।
-
ময়মনসিংহ (২ জন): গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
-
হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা: এই তিন জেলায় হাওরে কাজ করার সময় একজন করে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বজ্রঝড় সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এই সময়ে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে জীবন রক্ষা পাওয়া সম্ভব:
-
গভীর ও উলম্ব কালো মেঘ দেখা দিলে ঘরের বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
-
বজ্রপাতের আভাস পেলে যত দ্রুত সম্ভব পাকা ভবন বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। টিনের চালা বা গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
-
যদি খোলা মাঠে থাকা অবস্থায় বজ্রপাত শুরু হয়, তবে দৌড়াদৌড়ি না করে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
-
উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, মোবাইল টাওয়ার বা ধাতব খুঁটি থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে থাকুন।
-
মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর বা জলাশয় থেকে দূরে থাকুন। নৌকায় থাকলে দ্রুত ছাউনির নিচে চলে যান এবং মাছ ধরা বন্ধ রাখুন।
-
বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন ও ফ্রিজের সুইচ বন্ধ রাখুন এবং সম্ভব হলে প্লাগ খুলে দিন।
-
বাইরে বের হওয়া জরুরি হলে রাবারের মোটা সোলের জুতা পরিধান করুন।
-
খোলা স্থানে অনেকে একসঙ্গে থাকলে বজ্রপাত শুরু হওয়ার সাথে সাথে একে অপরের থেকে অন্তত ১৫ ফুট দূরে সরে যান।
-
গাড়ির ভেতরে থাকলে গাড়ির ধাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সরাসরি সংযোগ রাখবেন না।
-
বজ্রপাতের সময় গবাদি পশুকে খোলা মাঠে না রেখে নিরাপদ ছাউনির নিচে রাখুন।








