-
সরকার গঠন করার এত অল্প সময়ের মধ্যে কেন এত বিপুল অংকের ঋণ নিতে হলো?
-
এই ঋণ নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা?
রুমিন ফারহানার সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঋণের এই পরিস্থিতিকে ‘ক্যারিওভার’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন:
এই ঋণ বর্তমান সরকারের কর্মফল নয়; বরং এটি বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের একটি ধারাবাহিকতা বা বোঝা, যা বর্তমান সময়ে সমন্বয় করতে হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপির অর্থনৈতিক পলিসি হলো স্থানীয় ব্যাংকগুলো থেকে ক্রমান্বয়ে সরকারের ঋণ কমিয়ে আনা।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন যে, ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর এই প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন দেশবাসী আগামী বাজেটে দেখতে পাবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের বড় অংকের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, আগামী অর্থবছরে সরকার নিজস্ব আয়ের উৎস বাড়িয়ে ব্যাংক ঋণের চাপ কমানোর কৌশল গ্রহণ করতে যাচ্ছে।






