প্রায় ১৯ মাস আগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে তিনি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।অনুপ্রবেশের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে ভারতীয় আদালতের নির্দেশে তাঁকে তুরা কারাগারে পাঠানো হয়।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, শিপনের কারাভোগের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা ছিল।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) তিনি হঠাৎ কারাগারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পর দুই দেশের সরকারের উচ্চপর্যায়ের আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শেষে আজ দুপুর ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি পরিবারের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
নাকুগাঁও জিরো পয়েন্টে মরদেহ হস্তান্তরকালে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন:
-
ভারতীয় পক্ষ (BSF): ঢালু কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর কিমা রায়।
-
বাংলাদেশ পক্ষ (BGB): হাতিপাগার সুবেদার ফুল মিয়া সরকার।
-
পুলিশ: নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান জানান, মরদেহটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজই বরগুনায় তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দীর্ঘদিন পর স্বজনের নিথর দেহ ফিরে আসায় সীমান্ত এলাকায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।




