স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে মাত্রাতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া যায়। ব্রিটনির ম্যানেজার এই ঘটনাকে ‘ক্ষমা অযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি এটিও জানিয়েছেন যে, ব্রিটনি এখন আইন মেনে সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছেন এবং এই রিহ্যাব যাত্রাই হতে পারে তাঁর জীবনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পরিবর্তনের প্রথম ধাপ।
সংগীত ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী এই শিল্পী গত কয়েক বছর ধরেই নিজেকে গান থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন:
২০১৬ সালে তাঁর শেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। ২০২২ সালে এলটন জনের সঙ্গে ‘হোল্ড মি ক্লোজার’ দিয়ে চার্টের শীর্ষে ফিরলেও, ২০২৪ সালে তিনি ঘোষণা দেন যে আর কখনোই গানের জগতে ফিরবেন না।
২০২৫ সালের শেষের দিকে ব্রিটনি তাঁর গানের সমস্ত স্বত্ব (ক্যাটালগ) প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ‘প্রাইমারি ওয়েভ’-এর কাছে বিক্রি করে দেন।
২০২৩ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী ‘দ্য ওম্যান ইন মি’ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
বর্তমানে এই বইটি অবলম্বনে একটি সিনেমা নির্মাণের কাজ চলছে। ‘উইকেড’ খ্যাত জনপ্রিয় পরিচালক জন এম চু ছবিটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর ব্রিটনি তাঁর বাবার কঠোর ‘কনজারভেটরশিপ’ বা আইনি অভিভাবকত্বের অধীনে ছিলেন। সেই সময় তাঁর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, এমনকি খাদ্যতালিকার ওপরও চরম বিধিনিষেধ ছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে মুক্তি পেলেও সেই ট্রমা আজও তাঁকে তাড়া করে ফিরছে বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।








