Search
Close this search box.

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পাশে হবু বাবার ভূমিকা: দীপিকার চোখে ‘আদর্শ স্বামী’ রণবীর সিং

অহনা

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর একজন নারীর শরীরে কেবল শারীরিক পরিবর্তনই আসে না, হরমোনের তারতম্যের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বড় প্রভাব পড়ে। এই সংবেদনশীল সময়ে জঠরে আশ্রিত সন্তানের সুস্থতা অনেকাংশেই নির্ভর করে মায়ের মানসিক প্রশান্তির ওপর। আর হবু মায়ের এই মানসিক স্বস্তির মূল কারিগর হতে পারেন তাঁর জীবনসঙ্গী। সম্প্রতি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে এ বিষয়ে আলোকপাত করেছেন বলিউড সুপারস্টার দীপিকা পাড়ুকোন

সাধারণত হবু বাবা ভবিষ্যতের কথা ভেবে বা আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজের ব্যস্ততা বাড়িয়ে দেন। কিন্তু এই ব্যস্ততা অনেক সময় সম্পর্কের মাঝে দূরত্ব তৈরি করে:

সারাদিন কাজের পর যখন স্বামী স্ত্রীর পাশে বসার সুযোগ পান, তখন হয়তো ক্লান্তিতে স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়েন। এর ফলে একে অপরের চেষ্টা বা কষ্টগুলো আড়ালেই থেকে যায়।

হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হবু মায়েরা নানা আবেগীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যান। সঙ্গীর সান্নিধ্য না পেলে তাঁরা একাকিত্ব বা অবহেলার শিকার হতে পারেন, যা গর্ভস্থ সন্তানের জন্যও ক্ষতিকর।

দীপিকা পাড়ুকোন তাঁর অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করে রণবীর সিংয়ের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, রণবীর যেভাবে তাঁর খেয়াল রেখেছেন, তা অন্য হবু বাবাদের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে:

দীপিকা জানান, বিদেশে টানা শুটিংয়ের ব্যস্ততা সত্ত্বেও রণবীর সুযোগ খুঁজতেন পরিবারের কাছে ফেরার। হয়তো মাত্র ৩-৪ দিনের বিরতি পেতেন, তবুও সেই স্বল্প সময়ের জন্যই সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দীপিকার পাশে চলে আসতেন তিনি।

কাজের চাপে সবসময় পাশে থাকা সম্ভব না হলেও, রণবীরের সেই ‘চেষ্টাটুকু’ দীপিকাকে কখনো নিজেকে একা বা অবহেলিত মনে হতে দেয়নি। এই মানসিক সমর্থনই দীপিকাকে সুস্থ ও প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করেছে।

প্রথমবার বাবা হতে যাওয়া পুরুষদের জন্য দীপিকা বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:

ক্যারিয়ারের ব্যস্ততম সময়ে হয়তো অনেকটা সময় দেওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু সঙ্গীর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করা জরুরি। সেই সামান্য সময়টুকুও অনেক জটিল সমীকরণ সহজ করে দেয়।

রণবীর যেভাবে নিজের পরিবারের প্রতি যত্নবান, সেই গুণটিই দীপিকার মন জয় করেছে। কাজের পাশাপাশি পরিবারের প্রতি এই নিবেদনই একজন সফল বাবার পরিচয়।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ