প্রকল্পটির মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা রোসাটমের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি দেখানো হয়েছে, যা সাধারণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের চেয়ে অনেক বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একই ধরনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অন্যান্য দেশে তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়ে নির্মিত হলেও রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় অনেক বেশি ধরা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করা হয়েছে, প্রকল্পের অর্থ লেনদেনে বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে গোপন অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব তথ্যের স্বাধীনভাবে যাচাই এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।
অন্যদিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, রূপপুর কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার দাম এখনো নির্ধারণ করা হয়নি এবং বিষয়টি পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, যেকোনো বড় প্রকল্পে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া দুর্নীতির সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়। তাই বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
দুদক সূত্র জানায়, তদন্ত চলমান থাকলেও বিদেশি তথ্য সংগ্রহ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ ধীরগতিতে এগোচ্ছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।








