বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উচ্ছেদ হওয়া হকারদের এমন জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে, যেখানে তারা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিকল্প স্থান নির্ধারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর-১ এলাকা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মতিঝিল, বায়তুল মোকাররম, পল্টন ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকশ হকারকে উচ্ছেদ করা হয়। এতে শহরের সড়ক শৃঙ্খলা কিছুটা উন্নত হলেও তাদের জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প স্থান তৈরি করা হবে এবং তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে একটি পরিচয়পত্র প্রদান করে হকার কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এছাড়া রাজধানীর যানজট সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী স্কুল-কলেজ শুরুর ও ছুটির সময় সড়কে যানজট কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








