শনিবার সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে সেশনজটের অভিশাপ দূর করা এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। করোনা মহামারি এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নানা জটিলতার কারণে শিক্ষা ব্যবস্থার সময়সূচি দীর্ঘদিন ধরে এলোমেলো হয়ে রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে এবং উচ্চশিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকার ধাপে ধাপে পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে এনে একটি সমন্বিত শিক্ষা বর্ষ চালু করতে চায়। সে লক্ষ্যেই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষাও নির্ধারিত সময়ের আগেই আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান মন্ত্রী।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা গেলে শিক্ষা ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত বয়সে পরবর্তী ধাপে যেতে পারবে। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করা, শিক্ষকদের প্রস্তুতি এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ সামাল দেওয়াও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এদিকে একই বৈঠকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘বদলি নীতিমালা’ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, ন্যায়সংগত ও জনবান্ধব করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এতে শিক্ষকরা সহজে এবং নির্দিষ্ট নীতির আওতায় বদলির সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।








