এই রোগের বড় ঝুঁকি হলো শরীরের ভেতরে রক্তক্ষরণ হওয়া। এটি লিভার, কিডনি বা মস্তিষ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল করে দিতে পারে। সাধারণত মহিলারা এই রোগের বাহক হন এবং পুরুষরা এতে বেশি আক্রান্ত হন।
হিমোফিলিয়া আছে কি না তা বোঝার জন্য নিচের উপসর্গগুলো খেয়াল করা জরুরি:
-
অস্বাভাবিক রক্তপাত: সামান্য কাটাছেঁড়া থেকে দীর্ঘক্ষণ ধরে রক্ত পড়া।
-
শরীরে কালশিটে: বড় কোনো আঘাত ছাড়াই চামড়ার নিচে কালচে বা নীলচে ছোপ পড়া।
-
গাঁটে ব্যথা ও ফোলা: হাঁটু, কনুই বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া এবং নড়াচড়া করতে তীব্র যন্ত্রণা হওয়া।
-
মাড়ি ও নাক দিয়ে রক্ত পড়া: ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত বের হওয়া বা ঘন ঘন নাক দিয়ে রক্ত পড়া।
-
অন্যান্য উপসর্গ: মল-মূত্রের সঙ্গে রক্তপাত, দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা এবং বমি ভাব।
হিমোফিলিয়া পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়, তবে সঠিক চিকিৎসায় আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
শরীরে যে ফ্যাক্টরের অভাব রয়েছে, তা নিয়মিত ইনজেকশনের মাধ্যমে পূরণ করতে হয়।চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেনের মতো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া একদম নিষেধ, কারণ এগুলো রক্তক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়।ফুটবল বা হকির মতো সংঘর্ষপূর্ণ খেলাধুলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দাঁত ও মাড়ির যত্নে নরম ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত।








