Search
Close this search box.

গরমে প্রশান্তির নাম তরমুজ: কখন খেলে মিলবে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যগুণ?

অহনা

তপ্ত রোদে এক ফালি রসালো ঠান্ডা তরমুজ কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, এটি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির এক বিশাল উৎস। প্রায় ৯১ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ এই ফলটি গরমে শরীর হাইড্রেট রাখতে অতুলনীয়। তবে তরমুজ খাওয়ার কি কোনো নির্দিষ্ট ‘সেরা সময়’ আছে? পুষ্টিবিদদের মতে, আপনার শারীরিক লক্ষ্য অনুযায়ী সময় নির্বাচন করলে এর উপকারিতা বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।

যারা ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য তরমুজ একটি আদর্শ ফল।

 তরমুজে ক্যালরি খুব কম কিন্তু পানির পরিমাণ বেশি। তাই মূল খাবারের আগে তরমুজ খেলে পেট ভরা মনে হয়, যা অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ থেকে বিরত রাখে।বিকেলের নাস্তায় ভাজাপোড়া বা বিস্কুটের বদলে তরমুজ খেলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা লাগে না, যা ওজন কমাতে সরাসরি সাহায্য করে।

হজমের সমস্যায় ভুগলে তরমুজ খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো সকাল বা দুপুরের দিকটা।

তরমুজে থাকা উচ্চমাত্রার পানি মল নরম করতে সাহায্য করে এবং এর সামান্য আঁশ অন্ত্রের কার্যকারিতা সচল রাখে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে, তাদের জন্য সকালে তরমুজ খাওয়া অত্যন্ত উপকারী।

প্রাকৃতিক হাইড্রেটিং এজেন্ট হিসেবে তরমুজ সারা দিনই খাওয়া যায়:

ঘুমের পর শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে এটি দারুণ কাজ করে।প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং খনিজ উপাদান বা ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি সহায়ক।

 জিম বা ভারী কাজ করার ১-২ ঘণ্টা আগে তরমুজ খেলে এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম পেশির ক্লান্তি দূর করে।

রাতে তরমুজ খাওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়, তবে কিছু সতর্কতা জরুরি। যেহেতু এতে পানির পরিমাণ অনেক বেশি, তাই ঘুমানোর ঠিক আগে খেলে রাতে বারবার প্রস্রাবের চাপে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই রাতের খাবারের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে খাওয়া ভালো।

তরমুজ কামড়ে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। কারণ জুস করলে এর উপকারী আঁশ বা ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। তবে ব্লেন্ড করে আঁশসহ পান করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, যা হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ