সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তাঁর নিজের ভাগ্নে জাফর জ্যাকসন। জাফরের এটিই প্রথম সিনেমা হলেও মাইকেলের সেই জাদুকরী নাচ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে কাজ করেছেন স্বয়ং জ্যাকসনের ব্যক্তিগত কোরিওগ্রাফাররা।
‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’-র বিখ্যাত প্রযোজক গ্রাহাম কিং এই বিশাল বাজেটের প্রজেক্টটি নির্মাণ করেছেন।
সিনেমাটি নিয়ে সবচেয়ে বড় সমালোচনা হচ্ছে এর সত্যতা নিয়ে। অভিযোগ উঠেছে যে, জ্যাকসন এস্টেটের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকায় মাইকেলের জীবনের স্পর্শকাতর বিষয়গুলো (বিশেষ করে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ) কৌশলে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।
মাইকেলের নিজের মেয়ে প্যারিস জ্যাকসন এই চলচ্চিত্রের কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, সিনেমাটি কেবল ভক্তদের একটি অংশকে খুশি করার জন্য তৈরি। এখানে অনেক ভুল তথ্য ও মিথ্যা চিত্রায়ন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
নিষেধাজ্ঞা ও আইনি জটিলতার কারণে সিনেমাটির মুক্তি পিছিয়ে ২০২৬-এ আনা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের নাম ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের আইনি বিধি-নিষেধের কারণে সিনেমার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নতুন করে শ্যুট করতে হয়েছে।
প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই বায়োপিকটি নিয়ে পরিবেশক সংস্থা ‘লায়ন্সগেট’ বেশ আশাবাদী। তারা ধারণা করছে, এটি বিশ্বব্যাপী অন্তত ৭০০ মিলিয়ন ডলার আয় করবে, যা মিউজিক্যাল বায়োপিকের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়তে পারে।








