চিফ হুইপ তাঁর বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ দর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন:
তিনি বলেন, “আমরা কেউ মরতে চাই না, সবাই মিলে বাঁচতে চাই—দেশকে বাঁচিয়ে তারপর বাঁচতে চাই।” এই মূলমন্ত্র নিয়েই সংসদকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।গুম, বিচারহীনতা ও স্বৈরশাসনের অন্ধকার অধ্যায় কাটিয়ে দেশ এখন একটি ‘নতুন সূর্যোদয়ের’ পথে রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি একটি ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম ও মানবিক বাংলাদেশ’ গঠনে দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যের ডাক দেন।
নূরুল ইসলাম মণি বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন বাঁকবদলের কথা তুলে ধরেন:
স্বাধীনতার পর রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার, দুর্ভিক্ষ এবং বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র সীমিত হওয়ার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের উৎপাদনমুখী নীতি এবং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে বলে তিনি জানান।
সংসদকে কেবল ‘প্রাণবন্ত’ নয়, বরং ‘কার্যকর’ করার ওপর জোর দেন চিফ হুইপ:
তিনি ঘোষণা করেন, বর্তমান সংসদের সদস্যরা ব্যক্তিগত লাভের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্লট নেব না, গাড়ি নেব না—এই সিদ্ধান্ত জাতির স্বার্থে।”জ্বালানি ও গ্যাস ইস্যুতে সংসদে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের উদাহরণ টেনে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য গড়ার আহ্বান জানান।








