Search
Close this search box.

ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অহনা

দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কোনো সুযোগ বর্তমান সরকারের অধীনে নেই।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল, ২০২৬) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুভ বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিটি নাগরিক যাতে স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতি-নীতি পালন করতে পারে, এমন একটি মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণই সরকারের প্রধান দায়িত্ব।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি সবাই সব ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে, এটাই আমাদের নীতি।”

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রতিটি মানুষের জন্যই একটি নিরাপদ দেশের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা লড়াই করেছিলেন। এটি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবার দেশ। বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বারবার প্রমাণিত হয়েছে যে একমাত্র ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-ই সকল ধর্ম ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা কেউ নিজেদের কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না।” তিনি গৌতম বুদ্ধের পঞ্চশীল নীতির (অহিংসা, সত্য বলা, মাদক থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি) প্রশংসা করে বলেন যে, রাষ্ট্রীয় বিধির পাশাপাশি ধর্মীয় আদর্শ অনুসরণ করলে একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন:

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ ও ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

  • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন।

  • প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং পার্বত্য অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান শেষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও বুদ্ধমূর্তির প্রতিরূপ তুলে দেওয়া হয়।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ