বিদ্যমান নলকূপের (স্যালো কল) পানি অত্যন্ত লবণাক্ত হওয়ায় তা পান করা সম্ভব নয়।ওই এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা বেশি হওয়ায় সাধারণ নলকূপের পানি স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
বিকল্প হিসেবে স্থাপিত একটি পানির ট্যাপও গত কয়েক মাস ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এখানে বর্তমানে ১১৭ জন শিক্ষার্থী ও ৬ জন শিক্ষক রয়েছেন।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমায়রা খানম জানায়, বাড়ি থেকে আনা পানি শেষ হয়ে গেলে দীর্ঘক্ষণ তৃষ্ণা নিয়ে থাকতে হয়। একই শ্রেণির শিক্ষার্থী সাগর ও ইসমাইল জানায়, বিশুদ্ধ পানির অভাবে দূর থেকে বোতল বয়ে আনা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর।
সহকারী শিক্ষক তুলনা বিশ্বাস বলেন, “গভীর নলকূপ না থাকায় আমরা নিরাপদ পানির সংস্থান করতে পারছি না। পানির অভাবে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে।”
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জহিরুল আলম জানান:
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেখানে একটি গভীর নলকূপ বা সুপেয় পানির বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।






