ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যে বড় তেলের ট্যাঙ্কার ও কন্টেইনার উড়িয়ে দিতে প্রথমে ২৫০ লিটার পেট্রোলের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ৫০০ লিটার করা হয়। প্রতিটি ট্যাঙ্কে পেট্রোলের পাশাপাশি ২৫ কেজি করে আসল বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে যাতে বড় মাপের বিস্ফোরণ ঘটানো যায়।
ক্লাইম্যাক্সে রণবীর সিং ও অর্জুন রামপালের মধ্যে যে তীব্র লড়াইয়ের দৃশ্য দেখা গেছে, তা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটার সময় দুই তারকা অভিনেতা স্পটেই উপস্থিত ছিলেন। সাধারণত এমন দৃশ্যে ‘বডি ডাবল’ বা ভিএফএক্সের সাহায্য নেওয়া হলেও রণবীর ও অর্জুন নিজেরাই ঝুঁকি নিয়ে শুটিং সম্পন্ন করেছেন।
শুটিং শেষে অভিনয়শিল্পী ও অ্যাকশন টিমের নিখুঁত সমন্বয় দেখে ইউনিটের সবাই মুগ্ধ হয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পাকিস্তান-বিরোধী পটভূমি এবং টানটান উত্তেজনার বাস্তবধর্মী অ্যাকশনই ‘ধুরন্ধর ২’-এর আকাশচুম্বী সাফল্যের মূল রহস্য।
এই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন সিনেমার পরিকল্পনা শুরু করেছেন আদিত্য ধর। বলিউড সূত্রে খবর, ২০২৭ সালের মার্চে নতুন সিনেমার শুটিং শুরু হতে পারে, যেখানে আবারও কেন্দ্রীয় চরিত্রে রণবীর সিংকেই দেখা যেতে পারে।প্রেক্ষাগৃহে ব্লকবাস্টার হওয়ার পর এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির প্রহর গুনছে রণবীর সিংয়ের এই ‘ধামাকা’ মুভি।







