হারপাকনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে মটকিরচর ঈদগাহর সামনে পৌঁছালে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম (২৩) ও এক অজ্ঞাত সিএনজি চালক জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে যায়।
পাশের হোমনা থানার কুটুমবাড়ি এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। বিকেলে তাকে স্কুলের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিলে গত ২৪ এপ্রিল ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা জানান, মামলার পর থেকে তাঁরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন:
অভিযুক্ত সাইফুল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বারবার চাপ ও হুমকি দিচ্ছে।স্বামীহীন এই নারী তাঁর সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে বাড়িতে থাকতেও ভয় পাচ্ছেন। পুলিশ কেন আসামিকে ধরছে না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মুরাদনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সাইফুল বর্তমানে আত্মগোপনে থাকায় তাকে ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, “ঘটনার দুদিন পর ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় আসায় আমরা তাৎক্ষণিক মামলা রেকর্ড করেছি। আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেপ্তারে কিছুটা সময় লাগছে, তবে অভিযান অব্যাহত আছে।”







