২০১০ সাল থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নকআউট পর্বের পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম এমন ঘটনা দেখা গেল, যেখানে কোনো গোলরক্ষক অন্তত পাঁচ গোল হজম করেও একটি শটও আটকাতে পারেননি।
ম্যাচ শেষে নয়্যার জানান, কিছু গোল রক্ষা করা কঠিন ছিল এবং কিছু ক্ষেত্রে তিনি খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন। তিনি আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে ভাগ্যও প্রভাব ফেলেছে, যেমন পোস্টে লেগে যাওয়া শট এবং ডিফেন্সের শেষ মুহূর্তের ভুল।
তিনি স্বীকার করেন, এই ধরনের ম্যাচে শুধু গোলরক্ষক নয়, পুরো দলই চাপে থাকে। পিএসজির দ্রুত আক্রমণ এবং পরিকল্পিত খেলার কারণে বায়ার্নের রক্ষণভাগ বারবার বিপদে পড়ে।
তবে ফিরতি লেগে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেছেন এই জার্মান গোলরক্ষক। আগামী ৬ মে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দ্বিতীয় লেগে আরও শক্তভাবে ফিরে আসার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বায়ার্ন মিউনিখ।








