বিশ্ববাজারে তেলের একটি বড় অংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৫ শতাংশ এই রুট দিয়ে যায়। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হয়ে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ব্যারেল তেল কমে গেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে সার (ফার্টিলাইজার) পণ্যের দাম ৩১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর মধ্যে ইউরিয়ার দাম একাই প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনসহ বেস মেটালের দামও ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে চাহিদা বেড়ে মূল্যবান ধাতুর দামও প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইনদারমিত গিল বলেন, চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ধারাবাহিক চাপ তৈরি করছে এবং এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর।
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বা সরবরাহে আরও বড় বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করবে।








