তিনি আরও বলেন,
“জুলাই সনদ দেশকে স্বৈরতন্ত্রের নাগপাশ থেকে মুক্ত করার একটি প্রতিজ্ঞা। এটিকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানো উচিত নয়, বরং দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগোতে হবে।”
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, অতীতেও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত রাজনৈতিক ব্যাখ্যা বিভাজনের জন্ম দিয়েছিল, যা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একইভাবে জুলাই আন্দোলন নিয়েও কোনো ধরনের বিভাজনমূলক রাজনীতি করা উচিত নয়।
তিনি দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল স্বৈরতন্ত্রের স্থায়ী অবসান এবং একটি গণতান্ত্রিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এখনও অনেক সংস্কার সম্পূর্ণ হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইউনুস আহমদ বলেন, গুম, মানবাধিকার, দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি গণভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়েও সরকারকে অগ্রসর হতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এসব সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে তা জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা, যারা সরকারের প্রতি আস্থা রেখে সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।








