স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানা মুন্সি ও তার চাচাতো ভাই ওবায়েদ মুন্সির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে মেঘলা খানমকে মারধর করা হয় এবং তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পেটে লাথি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয়।
পরে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে, এতে আরও কয়েকজন আহত হন।
আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত শাহনারা বেগমকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আহত মেঘলা খানম অভিযোগ করেন, আদালতের রায় ও গ্রাম্য সালিশের পরও বিরোধী পক্ষ হামলা চালায় এবং তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি মো. আইয়ুব আলী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








