ইরান বর্তমানে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতা এবং হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন নিরাপত্তা সংকটের কারণে বাণিজ্যিক চাপে রয়েছে। এ অবস্থায় পাকিস্তানের এই উদ্যোগ দেশটির জন্য একটি বিকল্প বাণিজ্যপথ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাকিস্তান–ইরান সীমান্ত প্রায় ৯০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ, যেখানে তাফতান, গাবদ ও মানদ-পিশিনের মতো একাধিক সীমান্ত পয়েন্ট রয়েছে। এসব রুটকে নতুন করিডর ব্যবস্থার আওতায় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের মতে, এই উদ্যোগ দেশটিকে আঞ্চলিক লজিস্টিকস হাব হিসেবে গড়ে তুলবে এবং মধ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে বাণিজ্য সংযোগ আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি সরাসরি বাণিজ্য নয় বরং ট্রানজিট সুবিধা হওয়ায় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আইনি জটিলতা তুলনামূলক কম হতে পারে। তবে ভূরাজনৈতিক দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইরান–পাকিস্তান বাণিজ্য আগে থেকেই সীমিত আকারে চলমান থাকলেও নতুন করিডর ব্যবস্থা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








