সরকারি ও আন্তর্জাতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার সময় ইরান আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এর ফলে শুধু আন্তর্জাতিক নয়, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। যদিও দেশের কিছু আঞ্চলিক বিমানবন্দর সীমিতভাবে চালু রাখা হয়েছিল, তবে প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
দীর্ঘ সংস্কার ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে অবশেষে বুধবার থেকে বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হতো, বর্তমানে সেখানে মাত্র ১০ থেকে ১৫টি ফ্লাইট চলাচল করছে। তবে ধীরে ধীরে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতি এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পর বিমানবন্দরটি সীমিত পরিসরে চালু হলেও এটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে তেহরানের আরেকটি বিমানবন্দর ‘মেহরাবাদ’ এবং দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর হামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সামগ্রিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়া ইরানের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সংযোগ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে আরও সময় লাগবে।








