সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা নাকি একটি ‘ভুয়া সীমানাপ্রাচীর’ দেখিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ৬৪ লাখ টাকা বিল তুলে নিয়েছেন।ফারুকী এবং তাঁর অতিথিদের জন্য আপ্যায়ন খরচ হিসেবে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যয় করার অভিযোগ তুলেছেন এই বিশ্লেষক।
বর্তমান সরকারের মিতব্যয়িতার উদাহরণ টেনে মাসুদ কামাল বলেন, “আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অফিসে যারা আছেন, সবার সারা দিনের—দুপুরে এবং বিকেলের নাশতার জন্য বাজেট হলো মাত্র ১৫০ টাকা। সেখানে একজন উপদেষ্টার আপ্যায়ন খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা হওয়াটা বিস্ময়কর।”
এই অভিযোগগুলোর সত্যতা খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মাসুদ কামাল। তিনি বলেন:
“আমরা এই সন্দেহ নিয়ে থাকতে চাই না। অভিযোগগুলো মিথ্যা হলে উনি সম্মানিত হবেন, আর সত্য হলে জনগণের অর্থ অপচয়কারী হিসেবে তাঁর শাস্তি হওয়া উচিত।”
কড়া ভাষায় তিনি যোগ করেন যে, এই লোকগুলো ‘দাগি চোর’ নাকি ‘মসজিদের খতিবের মতো নিষ্কলঙ্ক’, জনগণ তা জানতে চায়।








