বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ওমান উপসাগরে ‘জলদস্যুতা’র অভিযোগ তুলে বলা হয়, ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং নাবিকদের আটক করা আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
হুথিদের দাবি, মার্কিন এসব উস্কানিমূলক পদক্ষেপের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply Chain) বিঘ্নিত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যের ওপর।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সাম্প্রতিক নৌ-পদক্ষেপগুলোর পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে হুথিরা। তাদের মতে:
নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজেদের জলসীমায় নৌ-চলাচল সীমিত করার বা নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার ইরান ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর রয়েছে। ফিলিস্তিন, লেবানন ও ইরানের ওপর হামলার বিষয়ে হুথিরা যে নিরব থাকবে না, তা তারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে পুনরায় স্পষ্ট করেছে।
ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ অধিকাংশ জনবহুল অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে থাকা হুথিরা এই সংঘাতকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
সংঘাত আরও বৃদ্ধি পেলে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের প্রবেশপথ ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। এমনটি হলে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।








